• ১২ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৩শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

কলেজছাত্রী সনিয়ার ‘হত্যাকারী’ কী মামাতো ভাই?

Dainik Shallar Khabor.com
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৩
কলেজছাত্রী সনিয়ার ‘হত্যাকারী’ কী মামাতো ভাই?

শাল্লার খবর ডেস্ক ::: সিলেটে নগরের একটি বাসা থেকে সনিয়া বেগম (১৮) নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে সজিব নামে নিহতের মামাতো ভাই উধাও।

গত কয়েকদিন ধরে সনিয়াদের বাসাতে অবস্থান করছিলেন সজিব। নিহতের বাবার সন্দেহ, সজিবই তার মেয়েকে খুন করে পালিয়েছে।

নিহতের বাবা সেলিম মিয়া বলেন, সজিব নামে সনিয়ার মামাতো ভাই সপ্তাহ ধরে এ বাসায় ছিল। সে বখাটের মতো চলাফেরা করত। মাঝেমধ্যে ঢাকায় গিয়েও থাকে। সিলেটে এসে আমার বাসায় ওঠে। ঘটনার পর থেকে সজিব উধাও। আমার ধারণা, সজিবই আমার মেয়েকে খুন করে পালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। ঘরে পুত্রবধূ ও মেয়ে সনিয়া ছিল। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে দেখি পুত্রবধূর মুখ বাঁধা, সে খাটে শুয়ে আছে। আর আমারা মেয়ে মেঝেতে পড়ে আছে। কাছে যেতেই মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) নগরের খুলিয়পাড়া নিলিমা আবাসিক এলাকার ১৪ নং বাসায় ওই ছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সনিয়া মৌলভীবাজারের ভাটেরা ইউনিয়নের হিন্নাত গ্রামের সেলিম মিয়ার মেয়ে। তিনি দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। নিলিমা আবাসিক এলাকার ওই বাসায় সপরিবারে থাকতেন সনিয়া। পড়াশোনার পাশাপাশি সিলেটি আঞ্চলিক ভাষায় নাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সনিয়া।

এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ গণমাধ্যমকে বলেন, কলেজছাত্রীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। তবে আমরা খুনিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। খুব শিগগিরই তাকে আটক করা হবে।

এসএমপির কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে তা বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।